Category: ক্লাবের খবর

RAJ_1096

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জাননোর মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পুনঃনির্বাচিত সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব তুলে দেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন পুনঃনির্বাচিত সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনসুর, সহসভাপতি মনজুর কাদের মনজু, বিদায়ী সহসভাপতি সালাহউদ্দিন মো. রেজা, নবনির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বিদায়ী ক্রীড়া সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, গ্রন্থাগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, বিদায়ী গ্রন্থাগার সম্পাদক শওকত ওসমান, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক রোকসারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, বিদায়ী প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর সবুজ, কার্যকরী সদস্য ম. শামসুল ইসলাম, মোয়াজ্জেমুল হক, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, শহীদ উল আলম, বিদায়ী সদস্য ফারুক ইকবাল। সভায় দায়িত্ব হস্তান্তর ও গ্রহণের পাশাপাশি প্রেস ক্লাবের বিদায়ী ও নতুন নেতারা ভবিষ্যতে ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

এদিকে শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রেস ক্লাব নেতাদের সঙ্গে চট্টগ্রামের চার বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে মন্তব্য করে ব্যবসায়ীরা বলেন, শিল্প ও চট্টগ্রাম বন্দরভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং চট্টগ্রামের অপ্রচলিত পণ্যের উৎপাদন বাড়িয়ে দেশে-বিদেশে নতুন বাজার সম্প্রসারণেও সাংবাদিকদের লেখা ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশিষ্ট শিল্পপতি লিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম সিনিয়রস ক্লাবের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানিক বাবলু, ব্যাংজিম বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক ও সিনিয়রস ক্লাবের সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম এ কবীর মিলকী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও এক্স কাউন্সিলর ফোরামের সদস্য সচিব হাজী জামাল হোসেন এবং রুমি ডেইরি ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ম্যাক্স হাসপাতালের পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এম কামাল উদ্দিন প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে মতবিনিময় করেন। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ।

Read More
DSC_5166

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন করলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আদলে তৈরি ম্যুরাল উদ্বোধন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সকাল ১১টায় ম্যুরালটি উদ্বোধন করেন। এই ম্যুরালটিতে একাত্তরে ৭ মার্চে ভাষণরত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, সূর্যের মাঝে বাংলাদেশের মানচিত্র, ৭ মার্চের প্রতীক হিসেবে সাতটি কবুতর ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সম্বলিত মুক্তিযুদ্ধের টেরাকোটা ম্যুরাল উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৯ এর গণআন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধীসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে চট্টগ্রাম সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। একইভাবে সকল আন্দোলন সংগ্রামে চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। আর পরাজিত শক্তির দোসররা ক্ষমতায় থাকলে যুদ্ধাপরাধীরা মন্ত্রী আর উপদেষ্টা হয়ে গাড়িতে পতাকা উড়ায়।

শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সাংবাদিকরা বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন, এক্ষেত্রে চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে বিচার বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে বিএনপি এদেরকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে দেশের শহীদের রক্তে রঞ্জিত জাতীয় পতাকা তুলে দেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আবারও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে। ইতোমধ্যে কয়েকটি রায় হয়েছে, আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করতেও সক্ষম হবো।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলহাজ আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রাচীনতম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদ উল আলম।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা বিশ্বাস করে, প্রকৃত পক্ষে তাদের আমলেই সত্যিকার উন্নয়ন হয়। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে কাজ শুরু করেছি, তা শেষ করতে হবে। তাই সরকারের ধারাবাহিকতা দরকার। আবার ক্ষমতায় আসতে প্রয়োজন আপনাদের সহযোগিতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের পরাজিত শক্তির দোসররা স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বার বার মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে, কিন্তু পারেনি। তরুণ প্রজম্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক শিক্ষা দিতে হবে। তাহলে জাতির উন্নতি হবে। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব স্বাধীনতার ইতিহাসকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের যে ম্যুরাল নির্মাণ করেছে, তা দেশের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি। তরুণ প্রজন্মকে সেই স্বপ্নে জাগিয়ে তুলতে হবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে।
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস বলেন, আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করা ম্যুরালটির একটি তৈলচিত্র প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস।

শনিবার সকাল সোয়া ১১টায় ফলক উন্মোচন করে উক্ত ম্যুরাল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ দশমিক ১ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের এ ম্যুরালে জাতির জনকের ৭ মার্চের ভাষণসহ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ম্যুরালটি তৈরি করেছেন খ্যাতিমান শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন এমপি, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ আফছারুল আমীন, শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সামশুল হক চৌধুরী এমপি, মাঈনুদ্দিন খান এমপি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক আবু সুফিয়ান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা মহিউদ্দিন।

Read More
DSC_5167

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণ কাজ শুরু

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ছবি সম্বলিত মুক্তিযুদ্ধের টেরাকোটা ম্যুরাল নির্মাণ কাজ শুরু করেছে প্রেসক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটি। দেশের খ্যাতিমান শিল্পী অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদকে ম্যুরালটি নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তায় ম্যুরাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ম্যুরালটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে ম্যুরাল নির্মাণে শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদের সঙ্গে প্রেসক্লাবের চুক্তি সম্পাদিত হয়। এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাবের পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রেসক্লাব কতৃপক্ষের কাছে ম্যুরালের ডিজাইন হস্তান্তর করেন শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।

প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ আলী আব্বাসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মহসীন কাজী, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মনজুর কাদের মনজু ও নূর মোহাম্মদ রফিক।

এ সময় শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ বলেন, প্রেস ক্লাবের ম্যুরালটিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, সূর্যের মধ্যে বাংলাদেশের মানচিত্র, ৭ টি শান্তির প্রতীক কবুতর ও সশস্ত্র বিপ্লব তথা মুক্তিযুদ্ধ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এই ম্যুরাল নির্মাণের মধ্য দিয়ে আগামী প্রজম্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অমর রাখতে এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করছে। আমি এ ধরণের ম্যুরাল নির্মাণের দায়িত্ব পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।

প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ আলী আব্বাস বলেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় ম্যুরাল নির্মাণের দায়িত্ব দেয়ার পর ব্যবস্থাপনা কমিটি দেশের খ্যাতনামা শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আসন্ন সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে এসে এ ম্যুরালটি উন্মোচন করবেন। এ ম্যুরালের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম সাংবাদিকরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ যেভাবে একাত্তরে মানুষের মাঝে স্বাধীনতার স্পৃহা জাগিয়েছিল তেমনি নতুন প্রজম্মকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ রাখতে এ ম্যুরালটি প্রেরণা যোগাবে। তিনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সকল সদস্যদের এ ব্যাপারে সহায়তা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ ইতিপূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপারাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, চাঁদপুরের অঙ্গীকার ভাস্কর্য, স্কুইপ (ট্রান্সকম) অংকুর শহীদ মিনার, নেভাল অ্যাকাডেমির ডলফিন ভাস্কর্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের আবহমান বাংলা টেরাকোটা, এবি ব্যাংকের মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল, ভাটিয়ারি গলফ ক্লাবের প্রত্যয় ভাস্কর্যসহ দেশের অনেক ঐতিহাসিক ভাস্কর্য ও ম্যুরাল নির্মাণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক।

Read More